December 29, 2016

গোপনাঙ্গে ট্যাটু করাতে স্বামীর আবদার, অত:পর স্ত্রী যা করলেন***

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে নানারকম আবদার থেকেই থাকে। কিন্তু, তাই বলে এমন আবদার ! স্ত্রীর গোপনাঙ্গে ট্যাটু করতে বলবেন স্বামী ?কলেজে পড়ার সময় থেকে দুজনের প্রেমের শুরু। তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক বিয়েতে পরিণতি পায়। বিয়ের পরে স্ত্রীর কাছে অদ্ভুত আবদার করে বসেন স্বামী। স্ত্রীর গোপনাঙ্গে নিজের নামের ট্যাটু করতে বলেন। রাজি না হওয়ায় শুরু হয় মারধর। স্থানীয় মহিলা থানায় অভিযোগ জানান ওই মহিলা। তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
নির্যাতিতা মহিলার কাছ থেকে জানা যায়, কলেজে পড়ার সময় তাদের দুজনের আলাপ। তাঁর থেকে দুবছরের সিনিয়র ছিল পর্ব (ওই মহিলার স্বামী)। আলাপ থেকে বন্ধুত্ব হয় এবং বন্ধুত্ব অবশেষে প্রেমে পরিণত হয়। কিন্তু, এই সম্পর্কে বাড়ির লোকের মত না থাকায় পড়াশোনা শেষ করে পালিয়ে গিয়ে মন্দিরে বিয়ে করেন তাঁরা। বিয়ের পর চারদিন পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। এরপর থেকে শুরু হয় সমস্যা।
পর্ব প্রথমে স্ত্রীর হাতে তার নাম লেখা ট্যাটু করায়। এরপর তার জন্মদিনের আগে নিজের জন্মদিনের তারিখের ট্যাটু করায় স্ত্রীর ঘাড়ে। পরবর্তী আবদার ছিল কাঁধের নিচে একটি পাখির ডানার ট্যাটু করাতে হবে। স্ত্রী সেই আবদারও মেনে নেন। কিন্তু, এরপর আর স্বামীর আবদার রাখা সম্ভব হয়নি। কারণ তাঁর গোপনাঙ্গে স্বামীর নাম লিখে ট্যাটু করতে বলে পর্ব। এতে রাজি হননি ওই মহিলা। স্বামীর এই অন্যায় আবদার না রাখায় তাঁর উপর শুরু হয় অত্যাচার। স্ত্রীকে মারধর করতে থাকে পর্ব।
স্ত্রীর উপর অত্যাচারের আরও কারণ ছিল। ওই মহিলা জানান, বিয়ের পর ইন্দোরে তাঁর স্বামীর ব্যবসা ভালোই চলছিল। কিন্তু, হঠাৎ সে ব্যবসা ছেড়ে চাকরি করতে চলে যায় ভোপালে। এবং ব্যবসায় লোকসানের কারণ দেখিয়ে তাঁকে বাপের বাড়ি থেকে ৫০ লাখ টাকা আনতে বলে। অত টাকা দিতে না পারায় বাপেরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে মারধর শুরু করে। এরপর শুরু হয় গোপনাঙ্গে ট্যাটু করানোর আবদার।
বাধ্য হয়ে স্থানীয় মহিলা থানায় গিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। থানা থেকে দুজনকে ঝামেলা মিটিয়ে নিতে বলা হয়। কিন্তু, স্ত্রীকে সঙ্গে রাখতে রাজি হয়নি পর্ব। এরপর আদলতের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা মহিলা। আদালত মহিলা ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের মাধ্যমে অভিযোগের তদন্ত করায়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর মহিলার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

No comments:

Post a Comment