December 28, 2016

এক সময়ের পর্দা কাঁপানো নায়িকা এখন যে কারনে ফুটপাতে ভিক্ষা করে***

শুরুতে ছিলেন জনপ্রিয় মডেল পরে পর্দা কাঁপানো নায়িকা। আজ তিনি পথে পথে ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন। এটি বাস্তব এক চিত্র। এটা কোনো নাটক বা চলচ্চিত্রের গল্প নয়। এটি এক গ্ল্যামার কন্যার জীবনে করুণ পরিণতির বাস্তবতা।

জানা গেছে, মিতালি শর্মা নামের এই অভিনেত্রী নায়িকা হবার স্বপ্ন নিয়ে বাবা ও মায়ের অমতেই নাম লিখিয়েছিলেন বলিউডের ছবিতে। কিন্তু একসময়ের এই গ্ল্যামার গার্ল চ্যালেঞ্জে হেরে যান। যখন বুঝতে পারলেন তাকে দিয়ে আর অভিনয় হবে না তখন ফিরে যেতে চাইলেন।
কিন্তু কোথায় ফিরবেন? তাকে আশ্রয় দিতে চাইলেন না বাবা মা। শেষপর্যন্ত বাধ্য হয়ে পথেই জায়গা খুঁজে নিলেন।
সম্প্রতি ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিনি। আর তখনই প্রকাশ হলো এই খাবার চোর একসমেয়র জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন! এই খবরে হৈ চৈ পড়ে গেছে বলিউডজুড়ে।
জানা গেছে, মিতালি শর্মা দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন। মডেল হিসেবে বেশ সুনামও অর্জন করেছিলেন। অভিনয় করেন বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ভাষার ছবিতেও। এ কারণে বাবা মা’র সঙ্গে সম্পর্কের ছেদ ঘটে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেননি তিনি।
তার ছবিগুলো ফ্লপ হলে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তাই মুম্বাইয়ের লোখান্ডওয়ালায় রাস্তায় ভিক্ষে করে পেট চালাতেন।
সম্প্রতি ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে যান তিনি। আর তখনই জানা গেল নায়িকার জীবনের করুণ এই পরিণতির গল্প!
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মুম্বাইয়ের ওশিওয়াড়ার একটি হাউজিং সোসাইটির কাছে গাড়ির কাচ ভেঙে চুরির চেষ্টা করার সময় তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে পুলিশ। বর্তমানে পুলিশের তত্ত্বাবধানে মানসিক হাসপাতাল আছেন। এই খবর সর্বত্র প্রকাশ হলেও মিতালির খোঁজ নিতে আসেননি তার পরিবার-পরিজন।

প্রসঙ্গত, এর আগে বলিউডে গীতাঞ্জলি নাগপাল নামের এক অভিনেত্রীর বেলাতেও এমন খবর শোনা গিয়েছিলো। একসময়ের পর্দা কাঁপানো এই অভিনেত্রীও সব জৌলুস হারিয়ে ভিক্ষা করতে নেমেছিলেন পথে।

আবার বিয়ে করা নিয়ে এবার যা বললেন সালমা***

টেলিভিশনে গানের প্রতিযোগিতা তাকে এনে দিয়েছিল রাজ্যের খ্যাতি। কিশোরী সালমাকে নিয়ে গণমাধ্যম রচনা করেছে শত শত লেখা। ভেঙে গেছে পাঁচ বছরের সাধের সংসার। স্বামীর বিরুদ্ধে রাজ্যের অভিযোগ তুলে সন্তান নিয়ে আলাদা হয়ে গেছেন কণ্ঠশিল্পী সালমা। তবে বুকের ভেতর দানা দানা কষ্ট। প্রায়ই বের হচ্ছে কান্না হয়ে। তেমন কথা বলছেন না, চেষ্টা করছেন নিজেকে সামলে উঠার।

এর মধ্যেই সামান্য কিছু সময় দেন সালমা। সেটাও মুখোমুখি নয়, মোবাইল ফোনে। ভেঙে যাওয়া সংসারের কথা বলতে গিয়ে ডুকরে ডুকতে কেঁদে উঠছিলেন তিনি। ভাঙা গলায় কিছু কথা বোঝা গেছে, কিছু আবার একেবারেই বোঝার উপায় নেই।

এই কথোপকথনে সালমার যে কথাটি স্পষ্ট সেটি হলো, চার বছরের সন্তান স্নেহাকে নিয়েই এখন বেশি চিন্তিত এক সময়ের ক্লোজআপ ওয়ান তারকা।

ছোট্ট বয়সে বড় তারকা হয়েছিলেন সামলা। টেলিভিশনে গানের প্রতিযোগিতা তাকে এনে দিয়েছিল রাজ্যের খ্যাতি। কিশোরী সালমাকে নিয়ে গণমাধ্যম রচনা করেছে শত শত লেখা।

২০০৬ সালে ক্লোজআপ ওয়ান তারকা হওয়ার তিন বছরের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যায় সালমার। ২০০৯ সালে দিনাজপুরে একটি অনুষ্ঠানে গান গাইতে গিয়েই পরিচয় হয় শিবলী সাদিকের সঙ্গে। দুই বছর পর পারিবারিকভাবে হয় বিয়ে। এরও এক বছর পর কোল জুড়ে আসে সন্তান। স্বামী-সন্তান নিয়ে সালমার সুখের সংসারের কামনা ছিল লাখো ভক্তদের মধ্যে। কিন্তু হঠাৎ বজ্রপাতের মতোই আসে তাদের বিচ্ছেদের খবর।

তারকাদের নিয়ে এমন গুঞ্জন উঠে প্রায়ই। তবে ঢাকাটাইমসের সঙ্গে আলাপচারিতায় সালমা বলেন, গুঞ্জন নয় সত্য। বিচ্ছেদ হয়ে গেছে আনুষ্ঠানিকভাবেই।

আগের দিন সালমার এই বিচ্ছেদের খবর সর্বাধিক পঠিত সংবাদের মধ্যেই ছিল শীর্ষস্থানীয় সব সংবাদ মাধ্যমে। পরদিনও তাকে নিয়ে কথা থামছে না। তাই আবারও সালমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা।

বেশ কয়েকবার ফোন দেয়ার পরও ধরেননি সালমা। পরে সময় করে নিজেই ফোন দিলেন। বললেন তার দুঃখের কাহিনি। বিষন্ন কণ্ঠে বললেন, তিনি ক্লান্ত, বিশ্রাম চান। একটি বাক্যেই সালমা বোঝাতে চাইলেন তার যন্ত্রণা। বলেন, ‘আমার জীবনে যে বড় ঝড় বয়ে গেলো।’ কান্নার মাঝে খানিকটা সময় চুপ করে থেকে সালমা বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে বলতে চাই আমি কোন অন্যায় করিনি। আমার পাশে থাকবেন আপনারা।’

সালমা বললেন, সংসার বাঁচাতে অনেক চেষ্টাই করেছেন তিনি। ছেড়ে দিয়েছেন গানের জগতও। কিন্তু এখন তার বেঁচে থাকার অবলম্বন আর স্বপ্নের সারথী চার বছরের কন্যা স্নেহা আর সুরের ভূবন। দুটি নিয়েই বাঁচতে চান তিনি।


নতুন করে কাউকে নিয়ে জীবন শুরু করার কি দূরতম কোনো পরিকল্পনা আছে? জানতে চাইলে একবাক্যে উড়িয়ে দেন সে কথা। বললেন, ‘আর বিয়ে করতে চাই না। বাকি জীবন একাই থাকতে চাই। আমার এখন ধ্যান জ্ঞ্যান বেচেঁ থাকা মেয়ে স্নেহাকে নিয়ে।’ ছোট্ট স্নেহা যেন স্নেহ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটাই অগ্রাধিকার-জানিয়ে দিলেন সালমা।

নিঃস্বার্থ মানুষ গুলো কখনোই কিছু পায়না' Dighi ***


নিঃস্বার্থ মানুষ গুলো কখনোই কিছু পায়না।শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তারা শুন্যই


"তুমি তাকে বিয়ে করনা

যাকে তুমি ভালবাস,
 
তুমি তাকেই বিয়ে কর

যে তোমাকে ভালবাসে। 


একমত ?

সাইফের প্রথম বিয়েতে যা বলেছিল ১০ বছরের কারিনা**

বলিউডে ১৯৯১ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ খুবই গুঞ্জনমুখর। কারণ নায়িকা অমৃতা সিংহ বিয়ে করেছেন। মিঠুন থেকে অমিতাভ, অনিল কপূর, সঞ্জয় দত্তের মতো তারকাদের সঙ্গে অভিনয় করা অমৃতা তখন খ্যাতির শীর্ষে। এই বিবাহের কিছুদিন আগেই রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্কে ছেদ টেনেছেন অমৃতা।
এই সম্পর্কে বিচ্ছেদের দিন কয়েকের মধ্যে রবি শাস্ত্রী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মনমরা অমৃতার জীবনে তখন শূন্যতা বিরাজ করছে। নব্য কিশোর সাইফ আলি খান তখন ঘুরঘুর করছেন বলিউডে। এ রকমই সময়ে একদিন ফিল্মের সেটে পরিচয় অমৃতার সঙ্গে। প্রথম দেখাতেই অমৃতার প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন সাইফ আলি। একদিন আচমকাই অমৃতার বাড়িতে গিয়ে প্রেমের প্রস্তাবও দেন। কিন্তু কিন্তু করেও অমৃতা তার থেকে ১২ বছরের ছোট সাইফের প্রেমের প্রস্তাব গ্রহণ করেন। কিন্তু অমৃতার শর্ত ছিল বিয়ে করতে হবে। সেই শর্ত মেনে বাড়ির হাজারো অমত সত্ত্বেও সাইফ বিয়ে করেছিলেন অমৃতাকে।
১৯৯১ সালেই মুম্বাইয়ে অমৃতা-সাইফের বিয়ের রিসেপশন হয় যেখানে অনুপস্থিত ছিলেন শর্মিলা। তার সঙ্গে রাজ কাপূরের পরিবারের অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল। তাই অমৃতা সিংহের বিয়ের রিসেপশনে উপস্থিত থাকাটা কতটা যুক্তিযুক্ত হবে তা বুঝতে পারছিলেন না রাজ কাপূরের বড় ছেলে রণধীর কপূর। কিন্তু, রণধীরের স্ত্রী ববিতা তার অনেক দিন আগে থেকেই আলাদা থাকতেন।
তাই তিনি দুই মেয়ে কারিশ্মা এবং কারিনা কাপূরের হাত ধরে হাজির হয়ে যান অমৃতা-সাইফের বিয়ের রিসেপশনে। কারিশ্মা তখন ১৬ বছরে পা দিয়েছেন এবং কারিনা কাপূরের বয়স ছিল ১০। বিয়েকে ঘিরে এমন পার্টির মেজাজ কারিনার মতো মেয়ের কাছে নতুন কিছু নয়। খালি সে অবাক হয়ে দেখছিল সামনে দাঁড়ানো স্যুট-কোর্ট-টাই পরা সাইফকে, আর নববধূর সাজে সজ্জিতা অমৃতাকে।
সাইফ ও অমৃতাকে এত সুন্দর দেখাচ্ছিল যে ১০ বছরের কারিনা কাপূরও চোখ ফেরাতে পারছিলেন না। কাপূর খানদানের চল অনুযায়ী বয়সে খানিকটা বড়দের আঙ্কল-আন্টি বলার চল। কারিনা একটা গোলাপ ফুল হাতে নিয়ে সাইফ ও অমৃতার হাতে দেন এবং ‘হ্যাপি ম্যারেড লাইফ আঙ্কল অ্যান্ড আন্টি’ বলে অভিনন্দনও জানিয়ে আসেন।
১৯৯১ সালের এই ঘটনার পরে অনেকটা সময়ই পার হয়ে গিয়েছিল। সাইফ আলি খান তখন বলিউডের শীর্ষ নায়কের মধ্যে একজন। ছোকরা মার্কা চেহারায় সাইফ আলি বলিউডে দাগই কাটতে পারেননি। ২০০১ সালে ফারহান আখতার ‘দিল চাহতা হ্যায়’ থেকে সাইফ আলি খানের ফিল্মি ক্যারিয়ারকে এক নয়া দিশা দেখিয়েছিলেন। বদলে যাওয়া সাইফের সঙ্গে ‘তশন’ ছবিতে অভিনয় করেন কারিনা কাপূর। সে সময় শাহিদ কাপূরের সঙ্গে তার একটার পর একটা ছবি ফ্লপ করছিল। এর জেরে শাহিদ-কারিনার প্রেমের সম্পর্কও ভেঙে যায়। আর এই সময়ই ‘তশন’-এর সেটে সাইফের সঙ্গে মোলাকাত কারিনার।
১৯৯১ সালে যে ১০ বছরের মেয়ে ২০ বছরের সাইফ আলি খানকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন, ২০০৮ সালে তখন দু’জনেই যৌবনে। যদিও সাইফ দুই সন্তানের পিতা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি। সাইফেরও এই ছবির কিছুদিন আগে অমৃতার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল। ফলে ‘তশন’-এর সেটে জিরো ফিগারের কারিনা এবং সাইফের প্রেমের ডানা মেলেছিল দুরন্ত গতিতে।


যার পরিণতিতে আজ সাইফ-কারিনার সন্তান তৈমুরের জন্ম। ছোট্টবেলার এক মুগ্ধতা আজ পূর্ণতা পেয়েছে এক অসামান্য প্রেমের সম্পর্কে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি, এক কালে যে ১০ বছরের মেয়েটা সাইফ-অমৃতাকে ‘হ্যালো আঙ্কল-আন্টি’ বলে গোলাপ উপহার দিয়েছিলেন আজ তিনিই সাইফের সন্তানের মা।